পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতির গন্ধ, সীমান্তে আগ্রাসন: সার্বভৌমত্বের প্রহরে
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে আমরা কতটা রক্ত দিয়েছি স্বাধীনতার জন্য, তা আমাদের ভুলতে দেওয়া হবে না। আমাদের ভাষা, আমাদের সংস্কৃতি আর সার্বভৌমত্ব রক্ষার সংগ্রাম চলছে সেই মার্চ থেকে। আজ প্রতিবেশী দেশের পশ্চিমবঙ্গে যে রাজনৈতিক পচন আর সীমান্তে যে আগ্রাসন চলছে, তা আমাদের জন্য এক গভীর উদ্বেগের কারণ। সেখানে ক্ষমতায় বসা নতুন সরকার দুর্নীতির কাদায় নিমজ্জিত পুরনো সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার, কিন্তু একই সঙ্গে তারা আমাদের সীমান্তের দিকেও তাদের আগ্রাসী চোখ ফেরাচ্ছে।
দুর্নীতির পচা গন্ধ আর রাজনৈতিক পচন
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির কাঠামো নিয়ে যে চিত্র তুলে ধরেছেন, তা ভাবলে শিউরে উঠতে হয়। তাঁর মতে, পূর্ববর্তী সরকারের প্রতিটি কাজেই corruption এর পচা গন্ধ। এমনকি তিনি বলেছেন, এই দুর্নীতিদের জেল বানাতে হলে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানকেও জেল বানাতে হবে। লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে যে বিশাল অর্থের অপচয় আর ভোটার তালিকায় না থাকা ব্যক্তিদের সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, তা প্রমাণ করে প্রতিবেশীর শাসনব্যবস্থা কতটা পচে গেছে। এই দুর্নীতির সংস্কৃতি যেন আমাদের স্বাধীন ভূখণ্ডে না আসে, সেজন্য আমাদের সচেতন থাকতে হবে।
সীমান্তে আগ্রাসন ও বাঙালির পরিচয়ে আঘাত
আমাদের মুক্তির সংগ্রাম শুধু দেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নয়, সীমান্তের ওপারের আগ্রাসন থেকেও নিজেকে রক্ষা করার ব্রত। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, BSF কে জমি হস্তান্তরের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। ৫৫৬ কিলোমিটারের মধ্যে ১০০ কিলোমিটার জমি ইতিমধ্যেই হস্তান্তর করা হয়েছে। এটি সরাসরি আমাদের সার্বভৌমত্বের ওপর এক নীরব আক্রমণ। মুক্তিযোদ্ধারা ১৯৭১ সালে যে সীমান্ত রক্ষা করেছিলেন, আজ সেখানে প্রতিবেশীর এই আধিপত্য আমাদের জাতীয়তাবাদের জন্য চরম হুমকি।
সবচেয়ে বিপজ্জনক দিকটি হলো infiltration ট্যাগ দিয়ে মানুষকে deport করার যে আগ্রাসী নীতি নেওয়া হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, CAA এর আওতায় না পড়া অনুপ্রবেশকারীদের দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। তাঁর কথায়,