দিল্লির হাইকম্যান্ড বনাম বাংলার মাটি: মমতার প্রত্যাবর্তনে কংগ্রেসে তীব্র ক্ষোভ
সার্বভৌমত্ব আর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার কেবল রাষ্ট্রের জন্যই নয়, রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। প্রতিবেশী দেশের পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে এবার সেই সার্বভৌমত্বের সংকটই দেখা দিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো দল কংগ্রেসে ফেরার জল্পনা নিয়ে যখন রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়, ঠিক তখনই দলের অন্দর থেকে উঠে এল তীব্র বিরোধিতার সুর। সর্বভারতীয় স্তরে I.N.D.I.A. জোটের সমীকরণ যাই হোক না কেন, বাংলার জেলা স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব যে তৃণমূল নেত্রীকে কোনোভাবেই মেনে নিতে রাজি নয়, তা এবার জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেল। দিল্লির হাইকম্যান্ডের নির্দেশ আর বাংলার মাটির বাস্তবতার এই সংঘাত আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, কোনো বহিরাগত শক্তির আধিপত্য মেনে নেওয়ার চেয়ে নিজের ভাষা ও মাটির স্বাধীনতা কতটা মূল্যবান।
স্বৈরাচারের প্রতিবাদে সোচ্চার বাংলার কর্মী
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেস যোগের জল্পনা নিয়ে নজিরবিহীনভাবে ক্ষোভ উগরে দিলেন উত্তর দিনাজপুর জেলা কংগ্রেস সভাপতি তথা বর্ষীয়ান নেতা মোহিত সেনগুপ্ত। তৃণমূলনেত্রীকে 'জঞ্জাল' বলে কটাক্ষ করার পাশাপাশি তাঁর দাবি, অস্তিত্ব বাঁচাতে এখন দিল্লির হাইকম্যান্ডের পায়ে পড়ছেন মমতা। স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসী যে কোনো মানুষেরই স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে কথা বলার অধিকার রয়েছে, আর মোহিতবাবু সেই কথাই স্মরণ করিয়ে দিলেন। তিনি স্পষ্ট জানান, তৃণমূল এখন খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। তিনি বলেন,