কেপ ভার্দে: কিসিঞ্জারের ভবিষ্যদ্বাণী ভুল প্রমাণের গল্প
আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে ছোট্ট এক দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ফুটবলের মাঠে তারা ছক ভেঙে নতুন ইতিহাস রচনা করেছে। কিন্তু তাদের সফলতার শেকড় কেবল ফুটবলের মাঠে নয়, বরং ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে তাদের দীর্ঘ মুক্তিসংগ্রামে। ১৯৭১ সালে যেমন বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ঠিক তেমনি ১৯৭৫ সালে কেপ ভার্দে পর্তুগিজ শাসনের শৃঙ্খল ভেঙে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। পরাশক্তির অবজ্ঞা উপেক্ষা করে আজ তারা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের অস্তিত্বের প্রমাণ রেখেছে।
মুক্তির সংগ্রাম ও আমিলকার কাবরাল
পর্তুগিজ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে কেপ ভার্দের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্বে ছিলেন আমিলকার কাবরাল। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নেতাদের মতো তিনিও নিজের জাতির জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। তাঁর কূটনৈতিক দক্ষতা ও সাহসিকতার কারণেই পর্তুগিজ সাম্রাজ্যের পতন ঘটে। ১৯৭১ সালে বাংলার মুক্তিযোদ্ধারা যেভাবে অস্ত্র হাতে মাতৃভূমির ডাকে সাড়া দিয়েছিল, কাবরালের নেতৃত্বাধীন যোদ্ধারাও সেভাবেই শাসকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল। ভাষা ও সংস্কৃতির টানে তারা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল, ঠিক যেমনটা আমরা একাত্তরে ভাষার অধিকার আদায়ের সংগ্রাম থেকে মুক্তির যুদ্ধে এসেছিলাম।
কিসিঞ্জারের হুমকি এবং স্বাধীনতার জয়গান
স্বাধীনতার পর তৎকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার কেপ ভার্দেকে