১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে ওঠা বাংলাদেশ আজ অর্থনৈতিক মুক্তির পথে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী, নতুন কাঠামোয় মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে এই বাড়ানোর হার সব গ্রেডে সমান হবে না। নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা তুলনামূলকভাবে বেশি সুবিধা পাবেন। এটি আমাদের স্বাধীনতা-পরবর্তী সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি পূরণের একটি উদাহরণ।
কেন এই বেতন বাড়ানোর প্রস্তাব?
গতকাল সোমবার জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির সভায় এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সরকারের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরির লক্ষ্যে গঠিত কমিটি আগামী সপ্তাহে আরেকটি সভায় বসবে। এরপর সচিব কমিটির সুপারিশ পরের সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় উঠবে। মন্ত্রিসভা চাইলে সুপারিশে পরিবর্তন, সংযোজন বা বিয়োজন করতে পারবে। অনুমোদন মিললে গেজেট জারির পর নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হবে।
শুধু বেতন নয়, ভাতা কাঠামোতেও পরিবর্তন
নতুন বেতন কাঠামোয় শুধু মূল বেতন নয়; বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ বিভিন্ন ভাতা পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাবও রয়েছে। কয়েকটি ভাতা একীভূত করার পাশাপাশি বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন কিছু সুবিধাও যুক্ত হতে পারে। চাকরিজীবীর অবসরকালীন সুবিধা ও পেনশন কাঠামো নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
সাভারে এনসিপি সমাবেশে বোমা বিস্ফোরণ
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত জানিয়েছেন, রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভার থানা স্ট্যান্ডের কাছে ঈদগাহ মাঠে এই বিস্ফোরণ ঘটে। এ সময় কর্মসূচি চলছিল, দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
এ ঘটনায় এনসিপি কর্মী মো. শাহীন খন্দকার, মো. জসিম ও মো. শাহাদাত হোসেন আহত হয়েছেন। চিকিৎসার জন্য তাঁদের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আরাফাতের ভাষ্যমতে, ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য দেওয়ার সময় বিস্ফোরণটি ঘটে। এ সময় অনুষ্ঠানের মঞ্চে এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, প্রধান সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সমুদ্র বিজয়ের পরও গ্যাস অনুসন্ধানে ব্যর্থতা
২০১২ ও ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে মিয়ানমার ও ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটারের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল লাভ করে। কিন্তু সমুদ্র বিজয়ের এক দশকেরও বেশি সময় পার হয়ে ২০২৬ সালেও গভীর সমুদ্রের সেই গ্যাস ব্লকে একটি গ্যাস কূপেরও শিখা জ্বলে ওঠেনি।
যখন দেশের শিল্পকারখানা গ্যাসের অভাবে বন্ধ হওয়ার উপক্রম, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আমদানিকৃত এলএনজির পেছনে ক্ষয়ে যাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ লোডশেডিংয়ে জর্জরিত তখন প্রশ্ন উঠেছে: বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান কেন থমকে রইল এবং এর পেছনে নীতিগত ও অর্থনৈতিক ক্ষতি কতটা ভয়াবহ?
নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধানে বিনিয়োগ না করে বিদেশ থেকে গ্যাস আমদানি করা এবং ত্রুটিপূর্ণ চুক্তির মাধ্যমে বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বসিয়ে রেখে টাকা দেয়া ছিল একটি বড় ধরনের অর্থনৈতিক অপরাধ। ৫০ হাজার কোটি টাকা সঠিক সময়ে অনুসন্ধানে খরচ করলে বাংলাদেশ আজ ছয় লাখ কোটি টাকার গ্যাসের মালিক হতে পারত।
মূল্যস্ফীতি ও ক্রয়ক্ষমতা সংকট
টানা সাড়ে চার বছর ধরে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মজুরি বাড়েনি। প্রতি মাসে যত মূল্যস্ফীতি হয়, তার চেয়ে কম হারে মজুরি বাড়ে। ২০২২ সালের জানুয়ারি মাস থেকেই এমন পরিস্থিতি চলছে। ফলে মানুষের প্রকৃত আয় কমে গেছে। সীমিত আয়ের মানুষের বাজার থেকে জিনিসপত্র কেনার সামর্থ্য কমে গেছে।
উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে সীমিত আয়ের এবং মধ্যবিত্ত পরিবারকে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। দেশের ৮৬ শতাংশ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড অনানুষ্ঠানিক খাতে হওয়ায় মূল্যস্ফীতির তুলনায় মজুরি হার না বাড়লে শ্রমিকশ্রেণি বা নিম্নআয়ের মানুষের ভোগান্তি ও কষ্ট বাড়ে।
এদিকে টানা তিন মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) গতকাল সোমবার মাসিক মূল্যস্ফীতির হিসাব প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, গত জুন মাসে মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ। গত মে মাসে ছিল ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পরে অর্থাৎ আগের ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ।
শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) শিক্ষক নিয়োগের জন্য নবম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কার্যক্রম শুরু করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এই গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৭০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের কথা রয়েছে।
এনটিআরসিএ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য প্রশাসনিক অনুমোদন চেয়ে ইতিমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই নবম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। সূত্র বলছে, সারা দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭৭ হাজার ৭৯৯ টি শূন্য পদের চাহিদা পাওয়া গেছে। যাচাই-বাছাই শেষে ৭৫ হাজার ৭৬৯ টি পদ চূড়ান্ত করা হয়। এর মধ্যে ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য ৬ হাজার পদ সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আরাকান আর্মি ও ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা
আরাকান আর্মি এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে, যা মিয়ানমারের ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। জাতিগত স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে গড়ে ওঠা একটি সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন থেকে তারা এখন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে অগ্রসর একটি রাজনৈতিক-সামরিক শক্তিতে রূপ নিয়েছে।
তাদের এ উচ্চাকাঙ্ক্ষা মিয়ানমারের রাজনৈতিক মানচিত্রকে পুনর্গঠনের সক্ষমতা রাখে। বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী অঞ্চলটি ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় আরাকান আর্মি। এরপর থেকে কার্যকর আরাকান পিপলস রেভল্যুশনারি গভর্নমেন্ট (এপিআরজি) প্রতিষ্ঠা এবং চিন ও কাচিন রাজ্য ছাড়াও মাগওয়ে, সাগাইং, আয়েয়ারওয়াদি ও বাগো অঞ্চলে সামরিক অভিযান সম্প্রসারণের মাধ্যমে আরাকান আর্মি আর কেবল একটি বিদ্রোহী সংগঠন নয়; বরং কার্যত একটি সার্বভৌম রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।
আগামী এক দশকে মিয়ানমারের রূপান্তর অবশ্য শুধু আরাকান আর্মিকে ঘিরে আবর্তিত হবে না। এ সময়ে চীন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা কীভাবে আরাকান আর্মির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে সেটা স্পষ্ট হবে।
জামায়াতের বিব্রতকর অবস্থা
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে রেকর্ড ৬৮টি আসনে জয়লাভ করে প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের আসনে বসেছে জামায়াতে ইসলামী। তবে এরপর কিছু সংসদ সদস্য ও নেতার স্বজনপ্রীতির কারণে বিব্রতকর পরিস্থিতি পড়েছে দলটি। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া এমন কয়েকটি ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেছে জামায়াত ইসলামী। পাশাপাশি কিছু জায়গায় 'অতি রঞ্জিত' করে প্রচারের অভিযোগও করেছে দলটি।
এমন অবস্থায় দলের সব এমপিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে জামায়াত ইসলামী। নির্দেশনা গেছে তৃণমূলেও। সম্প্রতি ঐচ্ছিক অনুদানের তালিকায় নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আতাউর রহমানের (বাচ্চু) মেয়ের নাম থাকা নিয়ে সমালোচনা হয়। এর প্রেক্ষিতে ব্যক্তিগত সহকারীকে বরখাস্ত করেন এমপি।
কর্ণফুলী টানেল: শ্বেতহস্তী প্রকল্প
কর্ণফুলী টানেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা। দেশের প্রথম নদীতল টানেল হিসাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় বলা হয়েছিল, এটি চট্টগ্রামের যোগাযোগব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত খুলে দেবে এবং অর্থনীতিতে যোগ করবে নতুন গতি। কিন্তু এটি এখন আক্ষরিক অর্থেই শ্বেতহস্তীতে পরিণত হয়েছে। প্রকল্প চালুর পর প্রত্যাশিত যানবাহন চলাচল নিশ্চিত হয়নি। ফলে টোল আদায় দিয়ে পরিচালন ব্যয়ই মেটানো যাচ্ছে না। এতে প্রতিদিন লোকসান গুনতে হচ্ছে ১০ লাখ টাকা।
এর মধ্যেই আইএমইডির মূল্যায়নে উঠে এসেছে হরিলুটের চাঞ্চল্যকর তথ্য। নথিপত্রে অস্তিত্ব না থাকলেও ল্যান্ডস্কেপিং ও বাগানের নামে ৪৯ কোটি টাকা গায়েব করা হয়েছে। এছাড়া অপ্রয়োজনীয় বাংলো নির্মাণে ৫০৩ কোটি টাকা ব্যয়, ঠিকাদারকে কয়েক শ কোটি টাকার অনৈতিক সুবিধা দেওয়া এবং ভুয়া বিলে অর্থ উত্তোলনসহ প্রকল্পটিতে অন্তত ৪৪টি গুরুতর অডিট আপত্তি ঝুলছে।
কক্সবাজারে পাহাড় ধসে ১০ জন নিহত
প্রবল বর্ষণের জেরে পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এর মধ্যে উখিয়ার তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রাণহানি ঘটেছে নারী ও শিশুসহ আটজনের। বাকি একজন নিহত হন কক্সবাজার শহরে। এ ছাড়া জেলার পেকুয়ায় আরো এক শিশু পাহাড়ধসে মারা যায়। গত রবিবার ও গতকাল সোমবার ভিন্ন সময়ে এসব ঘটনা ঘটে।
ভারি বর্ষণে কয়েকটি স্থান পানিতে নিমজ্জিত হলে কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কেও যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। বর্ষণের পানিতে জেলা শহরসহ কয়েকটি উপজেলার জনজীবনে নেমে আসে দুর্ভোগ। তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে আটজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার।
অন্যদিকে কক্সবাজার শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্তার ঘোনায় পাহাড়ধসে আলী আকবর (৫৫) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার ভোর ৪টার কিছুক্ষণ পর এ ঘটনা ঘটে।
চট্টগ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বিপদ
বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়গুলোতে হাজারও পরিবার ভূমিধসের আশঙ্কার মধ্যে বসবাস করছে। টানা বৃষ্টিতে আবারও কোনো মর্মান্তিক ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে গতকালই কক্সবাজারে পৃথক ভূমিধসের ঘটনায় নয়জন নিহত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সময় প্রাণঘাতী ভূমিধস, বারবার উচ্ছেদ অভিযান, আদালতের নির্দেশনা এবং স্থায়ী পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও শহরের চিহ্নিত ২৬টি পাহাড়ে অন্তত ৬ হাজার ৫৫৮টি পরিবার বসবাস করে চলেছে। নগরের রউফাবাদ মিয়া হিল, চৌধুরী নগর হিল এবং ষোলশহর রেলওয়ে হিল এসব এলাকার বাসিন্দারা ঝুঁকির বিষয়ে সচেতন হলেও নিরাপদ বাসস্থানের সামর্থ্য না থাকায় এলাকা ছেড়ে যেতে চান না তারা।
প্রধানমন্ত্রীর বেতনের অংশ গরিবদের জন্য
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবা জিয়াউর রহমানের মতো নিজের বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। গতকাল রাজধানীতে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও তাদের বেতনের একটি অংশ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, রোববার একটা মিটিং হয়েছে। একজন প্রধানমন্ত্রী, অনেক বড় প্রশ্ন। একটা দেশের প্রশাসনিক প্রধান ব্যক্তি, উনি আমাদের মিটিংয়ে কী বলেছেন জানেন? খুব বিনয়ের সঙ্গে বলেছেন মন্ত্রী মহোদয়গণ, আমি একটা কথা বলবো আজকে, বিনয় করে বলা, আপনারা রাখতেও পারেন আমার কথাটা, নাও রাখতে পারেন।