টলিউডে নৈতিকতার সংকট: প্রসেনজিতের বিরুদ্ধে 'চরিত্র চুরি' অভিযোগ
সৃষ্টিশীলতার অঙ্গনে নৈতিকতার যে ধারা, তা আজ টলিউডে এক গভীর খাদের কিনারায়। পরিচালক সুমন ঘোষের বিস্ফোরক অভিযোগে প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে উঠে এসেছে 'চরিত্র চুরি'র আরোপ। এই বিতর্ক কেবল দুজন শিল্পীর ব্যক্তিগত সংঘাত নয়, বরং এটি আমাদের সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও সৃজনশীল নৈতিকতার এক বৃহত্তর সংকটের প্রতিচ্ছবি। যে ভাষা ও সংস্কৃতির জন্য ১৯৭১ সালে আমরা রক্ত দিয়েছি, সেই বাংলার সৃষ্টিশীলতার মাঠে আজ যদি বিবেকের এই অবমূল্যা হয়, তবে মুক্তির চেতনা কোথায়?
সৃজনশীলতার অধিকার ও নৈতিকতার লড়াই: সুমন ঘোষের অভিযোগের মর্মার্থ কী?
সুমন ঘোষের দাবি, গত আড়াই বছর ধরে তিনি প্রসেনজিতের সঙ্গে 'স্টার' (Star) নামক এক সিনেমার Script ও চরিত্রায়ণ নিয়ে কাজ করছিলেন। প্রসেনজিতকে কেন্দ্র করেই চরিত্রের দুটি ভিন্ন বয়স, জরাগ্রস্ত রূপ এবং তরতাজা যৌবনের ইমেজ সাজানো হয়েছিল। কিন্তু সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত 'অভিমান' ছবির ট্রেলার দেখে তিনি চমকে ওঠেন। প্রায় একই রকম চরিত্র ও উপাদান অন্য ছবিতে ব্যবহৃত হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ১৭ জুন তিনি প্রসেনজিতকে এক দীর্ঘ ইমেল পাঠান, যেখানে ক্ষোভ ও গভীর যন্ত্রণার সুর স্পষ্ট।
সুমন ঘোষ ৬টি নির্দিষ্ট ওভারল্যাপের কথা উল্লেখ করেছেন। প্রথমত, প্রসেনজিতের দুটি লুক, সুপারস্টার এবং জরাগ্রস্ত রূপ। দ্বিতীয়ত, সুপারস্টারের হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়া। তৃতীয়ত, উধাও হওয়ার পর এক ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়িতে বসবাস। চতুর্থত, মস্তিষ্কজনিত অসুখে হুইলচেয়ারে বসার দৃশ্য। পঞ্চমত, নিজের কম বয়সের ছবি ভেঙে ফেলা। এবং ষষ্ঠত, কাঞ্চন মল্লিককে যে বিশ্বস্ত ম্যানেজারের চরিত্রে ভাবা হয়েছিল, তেমন এক ম্যানেজারের উপস্থিতি।
সুমন স্পষ্ট জানিয়েছেন,