অর্থনৈতিক মুক্তি বনাম স্বাধীনতা-উত্তর শোষণ: এস আলমের বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৩২ লাখ ডলার ছাড়ের প্রশ্নে জাতির দৃষ্টি
১৯৭১-এর রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি রাজনৈতিক স্বাধীনতা। কিন্তু আজ প্রশ্ন উঠছে অর্থনৈতিক মুক্তির। দেশের আর্থিক খাতে লুটপাটের অভিযোগে অভিযুক্ত এস আলম গ্রুপের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান 'এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেড'-এর অনুকূলে বিশেষ ছাড় দিয়ে ৩২ লাখ মার্কিন ডলার ঋণ ছাড়ের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সিদ্ধান্ত কি আমাদের স্বাধীনতা-পরবর্তী অর্থনৈতিক শোষণেরই আরেক নিদর্শন?
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত: এস আলম গ্রুপের জন্য বিশেষ ছাড় কেন?
গত বুধবার ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ (বিআরপিডি) থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর আগে অনুমোদিত একটি বৈদেশিক মুদ্রার সিন্ডিকেটেড ঋণের আওতায় রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংকের অংশে থাকা অবশিষ্ট ৩১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৬১ মার্কিন ডলার (প্রায় ৩৮ কোটি টাকা) ছাড়ের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ও সরঞ্জাম আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রেও আইনি শর্ত শিথিল করা হয়েছে। তবে, অর্থছাড়ের নির্দেশ দিলেও এর কোনো আর্থিক বা আইনি দায় নেবে না বাংলাদেশ ব্যাংক।
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও কেন দেশের অর্থনীতি মুষ্টিমেয় কিছু ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত হচ্ছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে আমাদের তাকাতে হবে ১৯৭১-এর চেতনার দিকে। মুক্তিযুদ্ধ ছিল শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয়। সেই প্রত্যয় আজ কোথায়?
পাঁচ বছরের পরিকল্পনায় নতুন সরকারের অগ্রাধিকার: মেট্রো, তিস্তা ও করব্যবস্থা সংস্কার
এদিকে, বাংলাদেশের সরকার পাঁচ বছর মেয়াদী একটি কৌশলগত রূপরেখা ঘোষণা করেছে। এই পরিকল্পনায় নতুন মেট্রো রেললাইন থেকে শুরু করে আন্তঃসীমান্ত নদী চুক্তি, ব্যাংকিং স্বচ্ছতা এবং করব্যবস্থা সংস্কারের মতো বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই রোডম্যাপে পুলিশের জবাবদিহিতার ব্যবস্থা, জ্বালানি খাতের সংস্কার এবং অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি শক্তিশালী ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) এক বৈঠকে এই রূপরেখা উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ সরকারও একটি পাঁচ বছর মেয়াদী পরিকল্পনা তৈরি করেছিল, যা ২০২৫ সালের জুনে শেষ হয়।
তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আমাদের জাতীয় স্বার্থের প্রশ্ন। ১৯৭১-এর পর থেকে ভারতের সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েনে তিস্তা চুক্তি বারবার আটকে গেছে। জাতির স্বার্থে এই চুক্তি বাস্তবায়ন কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা আমাদের নেতৃত্বকে বুঝতে হবে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ৩৫ বছর পর গণতান্ত্রিক ধারা পুনরুদ্ধারের পথে
৩৫ বছর পর আজ বৃহস্পতিবার দেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হতে যাচ্ছে। এ নির্বাচনের ভোটার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৩৪৯ জন সদস্য। সংসদ ভবনের অধিবেশনকক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। ভোট গণনা শেষে অধিবেশনকক্ষেই ফল ঘোষণা করা হবে।
ভোটে বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অলি আহমদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। যদিও সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিজয় অনেকটা নিশ্চিত বলা যায়।
স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সবসময়ই রাজনৈতিক অস্থিরতার সাক্ষী। কিন্তু এবারের নির্বাচন যেন আমাদের গণতান্ত্রিক চেতনার নতুন অধ্যায়। ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ, প্রতিটি সংগ্রামেই আমরা প্রমাণ করেছি গণতন্ত্র আমাদের রক্তে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে হামলা: অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে
উচ্চস্বরে গান-বাজনা করাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ লাইন্সে হামলা চালিয়েছে মাদ্রাসাছাত্ররা। এতে পণ্ড হয়ে যায় জেলা পুলিশ আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের লাঠিচার্জ এবং মাদ্রাসাছাত্রদের হামলায় দু'পক্ষের ৩০-৩৫ জন আহত হন।
গত মঙ্গলবার রাতের এ ঘটনায় উত্তেজনা ছিল বুধবার ভোর পর্যন্ত। এর মধ্যে হরতাল পালন করার ঘোষণা দিয়ে বিক্ষোভ করতে শুরু করে মাদ্রাসাছাত্ররা। পরিস্থিতি বেগতিক হয়ে উঠলে রাত ২টার দিকে মাদ্রাসায় গিয়ে আলোচনায় বসেন পুলিশ সুপারসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সেখানে মাদ্রাসাছাত্রদের উত্থাপিত সব দাবি মেনে নিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
১৯৭১ সালে আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি, তা ছিল সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির। আজ সেই মুক্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে ধর্মীয় গোঁড়ামি। আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা করতে হবে, কারণ এই ঐতিহ্যই আমাদের জাতীয় পরিচয়ের মূল ভিত্তি।
কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: সাত বাংলাদেশির মৃত্যুতে জাতি শোকাহত
গত মঙ্গলবার গভীর রাত ২টার দিকে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ আগুনে শ্বাসরোধে সাত বাংলাদেশিসহ নয় জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় নিহত সাত বাংলাদেশিদের মধ্যে রয়েছেন কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত। সাথে তার তিন স্বজনেরও প্রাণ গেছে।
হোটেলটিতে ৯৩ জন পর্যটক ছিলেন, এর মধ্যে ৮১ জন বাংলাদেশি। এসির বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এটি ছিল পরিত্যক্ত আবাসিক ভবন; বাংলাদেশি নাগরিকদের আনাগোনা বাড়তেই রাতারাতি সেই ভবন হয়ে যায় হোটেল।
বিদেশে বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে এই ঘটনা নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। আমাদের প্রবাসী ভাই-বোনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে তাদের সুরক্ষা আমাদের অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।
হামে আক্রান্ত শিশুদের ৬৫% অপুষ্টির শিকার: স্বাস্থ্য খাতে জাতীয় অগ্রাধিকার প্রয়োজন
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট এবং আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, হামে আক্রান্ত ৬৫ শতাংশ শিশু মাঝারি থেকে তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে। হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিতে আসা শিশুদের নমুনা পরীক্ষায় ৯৫ শতাংশের হাম শনাক্ত হয়েছে।
বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে এ বছর মার্চ থেকে জুলাইয়ের মধ্যে চিকিৎসা নিতে আসা ৩৫৪ জন শিশুর ওপর এই গবেষণা হয়েছে। এদের বয়স ১৪ বছরের কম।
স্বাধীনতার পর থেকে আমরা স্বাস্থ্য খাতে অনেক অগ্রগতি করেছি। কিন্তু শিশুদের অপুষ্টি এখনও আমাদের জাতীয় সমস্যা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় আমরা যে নতুন বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলাম, সেখানে প্রতিটি শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।
অর্থপাচার: জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠনের মহাযজ্ঞ
বাংলাদেশ থেকে বছরে পাচার হওয়া বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের খোঁজ মেলে। সেই অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগের কথাও ঘটা করে প্রচার করা হয়। কিন্তু ফিরিয়ে আনার সফলতা কোনো সরকার দেখাতে পারে না।
দেশের স্বনামধন্য শিল্পগোষ্ঠী, শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক, মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, সরকারের মন্ত্রী-উপদেষ্টা ও পাচার রোধের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান- সবাই একই চক্রের অংশ বলে খবরে উল্লেখ করা হয়।
অর্থপাচারের প্যাটার্ন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রথমে ঘুষ-দুর্নীতি, ঋণ জালিয়াতিসহ নানা অনিয়মের মাধ্যমে অর্থের উৎস তৈরি করা হয়। এরপর মূলত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, হুন্ডি, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও ক্রিপ্টোকারেন্সি এই চারটি প্রধান করিডোরের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বেরুচ্ছে অর্থ।
১৯৭১ সালে আমরা পাকিস্তানি শাসকদের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করেছিলাম। কিন্তু আজ কি আমরা নিজেদেরই এক নতুন শোষক শ্রেণির হাতে তুলে দিচ্ছি? অর্থপাচার বন্ধ না করা গেলে আমাদের স্বাধীনতা অর্থহীন হয়ে পড়বে।
জনমত জরিপ: প্রধানমন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট ৬৬.৩ শতাংশ মানুষ
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে ৬৬ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট। অন্যদিকে, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের কর্মকাণ্ডকে ভালো বলেছেন ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ এবং এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের কাজকে ভালো বলেছেন ৩৯ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডপলার রিসার্চ বাংলাদেশ লিমিটেড এক প্রতিষ্ঠানের জরিপে এমন তথ্য ওঠে এসেছে। জরিপে অংশ নেওয়া ২১ দশমিক ৬ শতাংশ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী ভালো করছেন না। বাকি ১২ দশমিক ১ শতাংশের কোনো মতামত নেই কিংবা তারা উত্তর দিতে চাননি।
জনগণের আস্থা অর্জনই গণতন্ত্রের সাফল্য। ১৯৭১-এর চেতনায় আমরা যে বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলাম, সেখানে জনগণের মতামতই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সার সংকট: কৃষকদের ভাগ্য নিয়ে চরম উদ্বেগ
তীব্র গ্যাস সংকট, যান্ত্রিক ত্রুটি এবং কাঁচামালের সংকটে চট্টগ্রামের তিনটিসহ দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ছয়টি সার কারখানা বন্ধ রয়েছে। শুধু ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি সার কারখানা উৎপাদনে আছে। এতে সামনের আমন মৌসুমে সার সরবরাহ নিয়ে কৃষকসহ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে তৈরি হয়েছে চরম উদ্বেগ।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে সেখান থেকে সার আমদানি নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদিও কৃষি মন্ত্রণালয় দাবি করছে, দেশে সারের সংকট নেই। যথেষ্ট মজুত রয়েছে। এছাড়া, চলতি মাসেই আমদানি করা সার দেশে আসবে।
কৃষি আমাদের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। মুক্তিযুদ্ধের সময় কৃষকরাই ছিলেন আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রধান সহায়ক। আজ সেই কৃষকদের ভাগ্য নিয়ে খেলা চলছে। স্বাধীন বাংলাদেশে কৃষক যেন কোনোদিন সার সংকটে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ডের উৎপাদন হ্রাস: জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার সংকট
গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) চলমান সংকটে বিদ্যুৎ, শিল্প-কারখানা থেকে শুরু করে আবাসিক খাত ভোগান্তিতে পড়েছে। পাশাপাশি ভাবিয়ে তুলেছে স্থানীয় গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস। বিশেষ করে দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস ফিল্ড বিবিয়ানার উৎপাদন কমছে। যেই ফিল্ড কি না স্থানীয় গ্যাসের ৪৫ শতাংশ যোগান দিচ্ছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা গেছে, বিবিয়ানা ফিল্ডের বর্তমান উৎপাদন দৈনিক ৭৪০ মিলিয়ন ঘনফুট (১৮ আগস্ট হিসাব অনুসারে), যা চলতি বছরের মার্চেও ছিল কম-বেশি ৮২০ মিলিয়ন ঘনফুটের কিছু বেশি। গত সাড়ে পাঁচ মাসের ব্যবধানে ফিল্ডটির উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে ৮০ মিলিয়ন ঘনফুটের মতো।
জ্বালানি নিরাপত্তা জাতীয় সার্বভৌমত্বের অন্যতম শর্ত। ১৯৭১ সালে আমরা যে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, তা রক্ষা করতে হলে আমাদের জ্বালানি খাতে আত্মনির্ভর হতে হবে। বিদেশি নির্ভরতা আমাদের স্বাধীনতাকে খর্ব করবে।
প্রশ্নোত্তর: পাঠকদের মনে যে প্রশ্নগুলো
এস আলম গ্রুপের ঋণ ছাড় কেন বিতর্কিত?
এস আলম গ্রুপ আর্থিক খাতে লুটপাটের অভিযোগে অভিযুক্ত। এমন একটি প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ ছাড় দিয়ে ঋণ ছাড়ের অনুমোদন দেওয়া দুর্নীতি ও স্বচ্ছতার প্রশ্নে গুরুতর বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
নতুন সরকারের পাঁচ বছরের পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য কী?
নতুন সরকারের পাঁচ বছরের পরিকল্পনায় মেট্রো রেললাইন, তিস্তা নদীর পানি চুক্তি, ব্যাংকিং স্বচ্ছতা এবং করব্যবস্থা সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ডের উৎপাদন হ্রাসের প্রভাব কী?
বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ড দেশের স্থানীয় গ্যাসের ৪৫ শতাংশ যোগান দেয়। এর উৎপাদন হ্রাস দেশের সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহে বড় প্রভাব ফেলছে, যার ফলে বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত ভোগান্তিতে পড়ছে।
অর্থপাচার রোধে কী কী উদ্যোগ প্রয়োজন?
অর্থপাচার রোধে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, হুন্ডি, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও ক্রিপ্টোকারেন্সি এই চারটি প্রধান করিডোরের ওপর কঠোর নজরদারি এবং আইনি ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।